লিখেছেন: আহমদ মুছা

রাতে মোবাইলে একটি মেসেজ

রাতে ঘুম ভেঙ্গে মোবাইলের ঘড়িতে দেখি ২.২৭। নিচে লেখা “1 New Message”। ভাবছি উঠে তাহাজ্জুদ পড়লে ভাল হয়, কিন্তু স্বভাবসুলভ আলস্য শরীরকে জড়িয়ে থাকল। ভাবতে লাগলাম মোবাইলের মেসেজটা কার? কল্পনার জগতে বিচরণ করতে করতে মনে হল: যদি মেসেজটা আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে আসত: “…তুমি বিছানা ছেড়ে সালাতে দাঁড়ালে আমি তোমার ওপর সন্তুষ্ট হব…” তাহলে নিশ্চয়ই সমস্ত আলস্য ঝেড়ে উৎসাহ নিয়ে নামাযে দাঁড়িয়ে যেতাম? পরমুহূর্তেই মনে হল: তাই তো! আল্লাহ কি মেসেজ পাঠান নি? “তাদের পাশ বিছানা থেকে আলাদা হয়, তারা ভয় ও আশা নিয়ে তাদের রবকে ডাকে।… কোন নফস জানে না তাদের জন্য চোখ জুড়ানো কী জিনিস লুকিয়ে রাখা হয়েছে, তারা যা করত, তার বিনিময় হিসেবে!” সূরা আস সাজদা, ৩২ : ১৬-১৭ এটাই বাস্তবতা। আল্লাহর বাণী তো আমাদের মাঝেই আছে। অথচ আমরা তা পড়ে দেখি না। কল্যাণের প্রকৃত উৎস থেকে অমনোযোগী থেকে ছুটে বেড়াচ্ছি বহু বিভ্রান্তির...

Read More

নবীরাও গায়েব জানতেন না

‘সুলায়মান পক্ষীকুলের খোঁজ-খবর নিল। অতঃপর বলল, কি হ’ল হুদহুদকে দেখছি না যে? না-কি সে অনুপস্থিত’ (নমল ২০)। সে বলল, ‘আমি অবশ্যই তাকে কঠোর শাস্তি দেব কিংবা যবহ করব অথবা সে উপস্থিত করবে উপযুক্ত কারণ’ (২১)। ‘কিছুক্ষণ পরেই হুদহুদ এসে হাযির হয়ে বলল, (হে বাদশাহ!) আপনি যে বিষয়ে অবগত নন, আমি তা অবগত হয়েছি। আমি আপনার নিকটে ‘সাবা’ থেকে নিশ্চিত সংবাদ নিয়ে আগমন করেছি’ (নমল ২৭/২০-২২)। . এ পর্যন্ত বলেই হুদহুদ তার নতুন আনীত সংবাদের  পেশ করল ( সেবার রাণী বিলকিস ও তার রাজ্য সম্পরকে) উপরোক্ত আয়াত থেকে এটা স্পষ্ট যে, হুদহুদের মাধ্যমে একথা বলানোর মাধ্যমে আল্লাহ আমাদেরকে একথা জানিয়ে দিলেন যে, নবীগণও গায়েবের খবর রাখেন না। তাঁরা কেবল অতটুকুই জানেন, যতটুকু আল্লাহ তাদেরকে অবহিত করেন। . তাহলে একবার ভেবে দেখুন যেখানে একজন নবীই গায়েব জানার ক্ষমতা রাখেন না ( যতটুকু আল্লাহ তাকে জানান তা ব্যাতীত)  সেখানে একজন গণক, রাশি বিশ্লেষক,  কবিরাজ কিংবা পীর কিভাবে আপনাকে ভবিষ্যতের কথা বলতে পারবে? কিভাবে সে আপনার ভবিষ্যত পরিবর্তিত করতে সাহায্য করবে?? গায়েবের খবর একমাত্র আল্লাহই জানেন, আল্লাহ ছাড়া আর কেও গায়েবের খবর জানে এটা বিশ্বাস করাটাও শিরক এবং এতে আপনার ঈমান থাকবেনা,  কারও কাছে ভবিষ্যত জানতে চাওয়া মানে তার সাথে আল্লাহর ক্ষমতার তুলনা করা..নাউজুবিল্লাহ। : আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন এবং তার রাস্তায় কবুল করুন। :...

Read More

বিয়ে বনাম প্রেম….

যদি জিজ্ঞেস করি….. একজন যুবকের জন্য বর্তমানে সবচেয়ে কঠিন কাজ কোনটি…?? – সহজ উত্তর.. সমাজের সব নিয়ম কানুন ও পরিবার পরিজনকে সন্তুষ্ট করে.. ” বিয়ে করা” এবার যদি প্রশ্ন করি… একজন যুবকের জন্য সবচেয়ে সহজ কাজ কোনটি…?? – একটাই উত্তর “প্রেম করা” বা “অবৈধ ভালবাসা” – বাজার থেকে বাছাই করে ফরমালিন মুক্ত এক কেজি ইলিশ মাছ কেনা যতটানা কঠিন… বর্তমান ফেসবুক,ওয়াটস আপ এর যুগে প্রেম করার জন্য একটা মেয়ে / ছেলে জোগাড় করা তার চেয়েও অনেক সহজ। – আর এই ” অবৈধ প্রেম” এবং ” কঠিন বিয়ে” এই দুইটির কোনটিতেই যারা নেই… তারা জাষ্ট যুদ্ধ করছেন,,কঠিন যুদ্ধ.. – যুদ্ধ...

Read More

কি জাতের ঈমানদার ছিলেন তারা→

কি জাতের ঈমানদার তৈরি করেছিলেন বিশ্বনবী মোহাম্মদ (স:)..? একবার পড়ে দেখুন→ একজন মহিলা আসলেন মহানবী (সা) এর কাছে… আর বললেন- “হুজুর আমাকে শাস্তি দিন” মহানবী (সা) তাকে জিজ্ঞেস করলেন- “তুমি কি করেছ?” মহিলা বললেন- “হুজুর আমি ব্যভিচার (জিনা) করেছি।” মহানবী (সা) বললেন-“তুমি কি বলছ? তোমার হুশ ঠিক আছে তো?” মহিলা বললেন-“হুজুর আমি সত্যি বলছি। আমি জিনা করেছি। এবং গর্ভবতী হয়ে গিয়েছি।” মহানবী (সা) বললেন-“তুমি কি এর পূর্বে একজন সাহাবীর জিনার শাস্তি মৃত্যুদন্ড দেখ নি?” মহিলা বললেন-“জ্বী হুজুর আমি জানি। আপনি আমাকে শাস্তি দিন” মহানবী (সা) বললেন-“ঠিক আছে, এখন তুমি গর্ভবতী, আগে তোমার সন্তান প্রসব কর। তারপর তোমার বিচার হবে।”...

Read More

এক আলেম ও এক যুবক

একদিন এক যুবক এক আলিমের কাছে আসল, এসে বলল- হুযুর আমিতো এক তরুণ যুবক, কিন্তু সমস্যা হল আমার মাঝে প্রবল খায়েশ কাজ করে। আমি যখন রাস্তা দিয়ে চলা ফেরা করি তখন আমি মেয়েদের দিকেনা তাকিয়ে পারি না। আমি এখন কি করতে পারি। তখন ঐ আলিম চিন্তা করল এবং চিন্তা করার পর তাকে একটা দুধ ভর্তি গ্লাস দিল যার পুরোটায় দুধে কানায় কানায় পুর্ণ ছিল এবং তাকে বলল – “আমি তোমাকে বাজারের একটি ঠিকানা দিচ্ছি তুমি এই দুধটুকু সোজা সেখানে পৌছিয়ে দিয়ে আসবে।” ঐ আলিম তাকে আরো নির্দেশ দিল যে, গ্লাস থেকে এক ফোঁটা দুধও যাতে না পরে । যদি...

Read More
  • 1
  • 2

সাম্প্রতিক মন্তব্যসমূহ